বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে, ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে, ভারতের সঙ্গে বৈঠক

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দুই দিনের সরকারি সফরে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন, যেখানে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশের ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাকে স্বাগত জানান।

সফরের উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি

এই সফরটি মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগর সম্মেলনে অংশগ্রহণের পূর্বে সংঘটিত হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও রয়েছেন। সফরকালে তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উষ্ণ ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান এবং এই সফর তাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করবে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে যে আলোচনায় শক্তি সহযোগিতা, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু, গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি নবায়ন, ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রার্থিতা এবং ব্যাপক বাণিজ্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৈঠকের সময়সূচি ও পরিকল্পনা

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, ড. খলিলুর রহমান আজ সন্ধ্যায় দিল্লিতে এনএসএ অজিত দোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ৮ এপ্রিল তিনি হায়দ্রাবাদ হাউসে দুপুর ১টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। পরে তিনি বিকেল ৪:৩০টায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পিয়ুষ গোয়েল এবং বিকেল ৫:৩০টায় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গে শিষ্টাচার সাক্ষাৎ করবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সফর শেষে তিনি ৯ এপ্রিল সকাল ৮টায় পোর্ট লুইসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। কূটনৈতিক সূত্র আরও ইঙ্গিত দেয় যে জয়শঙ্কর ও খলিলুর রহমান উভয়েই সম্মেলনে একই ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারেন, যেখানে প্রায় ১০ ঘণ্টার যাত্রাকালে তারা দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর তিনি মরিশাসে পৌঁছাবেন।

এই সফরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।