ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন: পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা
ত্রিপুরায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে সকালে ত্রিপুরার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির সূচনা ঘটে।

প্রথম পর্ব: পতাকা উত্তোলন ও শ্রদ্ধা নিবেদন

সকাল ৯টায় কুঞ্জবনের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় অস্থায়ী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সহকারী হাইকমিশনার হাসান আল বাশার আবুল উলায়ী। পরে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীসহ কমিশনের সকল সদস্য একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন এবং আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিতীয় পর্ব: আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন

সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল পলো টাওয়ারে দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন করা হয়। এখানে রাজ্যের বিশিষ্টজন ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা সভায় বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ত্রিপুরা রাজ্যের পঞ্চায়েত, উচ্চশিক্ষা, জেনারেল ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (পলিটিক্যাল) বিষয়ক মন্ত্রী কিশোর বর্মণ এবং বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনার হাসান আল বাশার আবুল উলায়ী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসের ইতিহাস তুলে ধরে বিস্তর আলোচনা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

আলোচনা সভায় রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার রামপদ জামাতিয়া, ত্রিপুরা রাজ্য বিজিপির প্রসিডেন্ট রাজীব ভট্টাচার্য, ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের সচিব ড. কে শশীকুমার, স্পেশাল সচিব রতন বিশ্বাস, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরা রাজ্যে অংশগ্রহণকারী এবং মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননাপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও মৈত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ত্রিপুরার সুনামধন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, ব্যবসায়ী নেতা এবং ত্রিপুরার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা শেষে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ত্রিপুরায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।