বাংলাদেশের ৫০তম বিজয় দিবস আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটির প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
বিজয় দিবসের তাৎপর্য
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। এই দিনটি বাঙালি জাতির গৌরবের দিন। ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
সরকারি কর্মসূচি
সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার স্মৃতিসৌধে আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশু-কিশোরদের সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান
সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বিজয় দিবসের এই ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। তারা বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে, তবে এখনও অনেক কাজ বাকি।



