সংসদে বিচারক নিয়োগ বিল বিতর্কে স্পিকারের শব্দ বাতিলের নির্দেশ
সংসদে বিচারক নিয়োগ বিল বিতর্কে স্পিকারের শব্দ বাতিল

সংসদে বিচারক নিয়োগ বিল বিতর্কে স্পিকারের শব্দ বাতিলের নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের বিরোধিতা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বিতর্কিত শব্দের ব্যবহার ও স্পিকারের হস্তক্ষেপ

বিল উত্থাপনের পর এনসিপি নেতা আখতার হোসেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে ‘মানিক চোরা’ নামে অবহিত করে বক্তব্য দেন। এই অবমাননাকর শব্দ দু’টি শুনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি সংসদে ঘোষণা দিয়ে শব্দ দু’টি এক্সপাঞ্জ বা বাতিল করে দেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বিলের বিরোধিতা করার সময় দাবি করেন যে, ‘মানিক চোরা’র মত বিচারপতি তৈরি হয়েছিল। তবে স্পিকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংসদীয় শিষ্টাচার রক্ষা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে শব্দ বাদ

বিল পাসের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদকে বলেন, “এক সাবেক বিচারক সম্পর্কে বিরোধী সদস্যের ব্যবহৃত কিছু অবমাননাকর শব্দ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।” এই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি সংসদে শালীনতা বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এর আগে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বিলটি উত্থাপন ও পাসের জন্য প্রস্তাব করেন। বিলটি নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত স্পিকারের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে আসে।

এই ঘটনাটি সংসদীয় গণতন্ত্রে বিতর্কের সীমা ও শিষ্টাচার নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন যে, স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত সংসদীয় কার্যক্রমে নৈতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ