১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ

১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আজ ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট শুরু হয়েছে। এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি উপস্থিত থেকে জাতীয় উৎসবে অংশ নিয়েছেন।

উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত প্রবেশ

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটি সর্বসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশের নির্ধারিত গেট নম্বরগুলো হলো:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • গেট নম্বর ২
  • গেট নম্বর ৩
  • গেট নম্বর ৪
  • গেট নম্বর ১০
  • গেট নম্বর ১১

বিজ্ঞপ্তিতে দর্শনার্থীদের ব্যাগ বহন না করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন

এদিকে, স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে ভোর ৬টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তারা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন, যা জাতির গৌরবময় ইতিহাসের একটি আবেগময় অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

এই সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করেন, যা জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

১৮ বছর পর পুনরায় কুচকাওয়াজের আয়োজন

এই কুচকাওয়াজটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০০৮ সালের পর অর্থাৎ ১৮ বছর পর এই প্রথমবারের মতো ২৬ মার্চ তারিখে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি করেছে।

ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও অনুষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের উৎসাহী উপস্থিতি লক্ষণীয়। এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি সামরিক প্রদর্শনী নয়, বরং জাতীয় গৌরব, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।