সংসদকে কার্যকর করার আহ্বান চিফ হুইপ নুরুল ইসলামের
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের সব জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে পার্লামেন্ট। তিনি সংসদকে প্রাণবন্ত না করে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছেন। আজ রোববার সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধী দলকে বেশি সুযোগের প্রতিশ্রুতি
নুরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সংসদে বিরোধী দলের সবচেয়ে বেশি কথা বলার সুযোগ থাকে। তিনি বলেন, 'আপনারা সব সময় লক্ষ্য করে থাকবেন, সংসদে বিরোধী দলই সবচেয়ে বেশি কথা বলার সুযোগ পায়। অধিকাংশ সুযোগ তারাই গ্রহণ করে এবং সেই সুযোগ দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত।' তিনি আরও যোগ করেন, জাতীয় সব বিষয়ে সংসদে বিতর্ক হওয়া উচিত এবং বিরোধী দলকে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
প্রথম অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচন ও অর্ডিন্যান্স লে-আউট
চিফ হুইপ জানান, এবারের সংসদের প্রথম অধিবেশন একটু ব্যতিক্রমধর্মী হবে। কারণ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদত্যাগ করেছেন। প্রথম দিন স্পিকারের চেয়ার খালি থাকবে এবং একজন সিনিয়র সদস্যের সভাপতিত্বে কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তিনি বলেন, 'সংসদ অধিবেশন না থাকাকালে বিগত সময়ে যত অর্ডিন্যান্স হয়েছে, সেগুলোর লে-আউট হয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে। আমাদের ১৩৩টি অর্ডিন্যান্স রয়েছে, আমরা এগুলোর লে-আউট করব অধিবেশনে।'
সরকারের কল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা
নুরুল ইসলাম বিএনপির আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে তারা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য ছিল। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন, যেমন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড চালু, কৃষি কার্ড, প্রবাসী কার্ড এবং খতিবদের ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করা।
তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য, এই দেশের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।' এই পদক্ষেপগুলো দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
