জবি শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা: ডিজিএফআই সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড
জবি শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা: সাবেক ডিজিএফআই পরিচালকের ৩ দিন রিমান্ড

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী অনিক কুমার দাস হত্যাচেষ্টা মামলায় তিনদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মো. রিপন হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই অনুপ কুমার দাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আগের রিমান্ডের বিবরণ

এর আগে একই মামলায় ৫ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালত আফজাল নাছেরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজিমন আক্তারের আদালতে আফজাল নাছেরকে তোলা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিপরীতে আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনের কারণ

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হামলা ও গুলির ঘটনায় আফজাল নাছেরের নাম এসেছে। তাই এই ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে সে তথ্য উদঘাটনে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিবরণ

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মিছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পার হয়ে মহানগর দায়রা জজ কোর্টের সামনে আসলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অতর্কিত গুলিতে আহত হন অনিক। তাকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জবির এই শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশনের পর গত ৩১ জুলাই কিছুটা সুস্থ হলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন অনিক। ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর কোতোয়ালি থানায় এ হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আফজাল নাছেরের পটভূমি

২০০৬ সালের মার্চ থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ছিলেন আফজাল নাছের। ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে গত ২৯ মার্চ গভীর রাতে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন জুলাই আন্দোলনে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহতের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।