ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে দ্বিতীয়বারের মতো সময় বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত ২১ জন প্রার্থী তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে পারবেন। রোববার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সময় বাড়ানোর কারণ
প্রার্থীদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের জন্য গত ৬ মে পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যেসব প্রার্থী ওই সময়ের মধ্যেও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের জন্য আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থীদের তালিকা
যে প্রার্থীরা এখনো নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি, তাদের মধ্যে রয়েছেন: নীলফামারী-৪ আসনের মির্জা মো. শওকত আকবর, লালমনিরহাট-১ আসনের হাবিব মো. ফারুক, রংপুর-২ আসনের মো. আজিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সরকার মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের নবাব মো. শামসুল হোদা ও মো. আব্দুল হালিম, নাটোর-১ আসনের মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ভোলা-১ আসনের মো. আইনুর রহমান মিয়া, ভোলা-২ আসনের মহিবুল্লাহ খোকন ও মো. আলা উদ্দিন, ভোলা-৩ আসনের মো. আবু তৈয়ব ও মো. কামাল উদ্দিন, ভোলা-৪ আসনের আবুল কালাম ও মো. জালাল উদ্দীন রুমী, ময়মনসিংহ-৫ আসনের মো. রফিকুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ আসনের অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, ঢাকা-১৪ আসনের মো. লিটন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের শেখ মুশতাক আহমদ, চাঁদপুর-২ আসনের মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১২ আসনের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম এবং বান্দরবান আসনের আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দীন।
আইনি বিধান
আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়। প্রথম মেয়াদের শেষ সময় ছিল ১৫ মার্চ। এরপর দ্বিতীয় মেয়াদে আরও এক মাস বাড়িয়ে ৬ মে পর্যন্ত সময় দেয় ইসি। ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সময় বাড়ানো হয়েছে। আরপিও অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব জমা না দিলে প্রার্থিতা বাতিল বা দুই থেকে সাত বছরের জেল ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।



