‘ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নির্মূলে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক সহায়তা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়ানোও জরুরি।
আজ শনিবার রাজধানীর বনশ্রীতে নারী উন্নয়ন শক্তির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই সভার আয়োজন করে ইয়ং উইমেন ফর ডেভেলপমেন্ট, রাইটস অ্যান্ড ক্লাইমেট (ওয়াইডব্লিউডিআরসি) এবং নারী উন্নয়ন শক্তি (এনইউএস)। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, ডোমেস্টিক ওয়ার্কার এমপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং ফোরাম ফর কালচার অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট এই আয়োজনে সহযোগিতা করে।
প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়াইডব্লিউডিআরসির নির্বাহী চেয়ারপারসন নুসরাত সুলতানা আফরোজ। তিনি বলেন, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, শিক্ষার সীমিত সুযোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং সামাজিক বৈষম্য শিশুশ্রম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক সহায়তা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।
সভাপতির বক্তব্য
সভায় সভাপতিত্ব করেন নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক আফরোজা পারভীন। তিনি বলেন, শিশুশ্রম নির্মূল একটি জটিল ইস্যু যার সঙ্গে শিশু অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কিত। তাই ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুদের উদ্ধারে যথেষ্ট বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিকনেতা আবদুল হোসেন শ্রমজীবী পরিবারের আয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য
সভায় সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য দেন হাসি আক্তার। তিনি বলেন, চরম দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেক পরিবার শিশুদের কাজে পাঠাতে বাধ্য হয়। পরিবারগুলোর জন্য আয়বর্ধক কর্মসংস্থান ও সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে শিশুশ্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।



