স্থলমাইন ও সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যুতে জামায়াতের শোক
স্থলমাইন ও সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যুতে জামায়াতের শোক

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন জন ও সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় আট জন নাগরিকের প্রাণহানিতে গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রবিবার (২৪ মে) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিবৃতিতে এই শোক জানান। একই সঙ্গে মঠবাড়িয়ায় দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণ ও সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন নাগরিকের প্রাণহানি জাতির জন্য খুবই মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। এছাড়া নাগরিকদের কুপিয়ে হত্যা চরম বর্বরতা। আমি বিস্ফোরণে নাগরিকদের হতাহতে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করছি এবং কুপিয়ে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, “গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী আজ রবিবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত ঘুমধুমে কিছুটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন জন চাকমা শ্রমিকের মৃত্যু, ফরিদপুরের নগরকান্দায় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চার জনসহ মোট পাঁচ জনের মৃত্যু, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সিএনজি-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে এবং পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক স্থানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসব মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ড পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও নিহতদের উত্তম মর্যাদা কামনা করছি। আমি হতাহতের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং স্বজন হারানোর কষ্টকে সহ্য করার তাওফিক কামনা করছি। একই সঙ্গে কুপিয়ে হত্যায় যারা জড়িত তাদের তদন্তপূর্বক শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছি।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের প্রতি আহ্বান

তিনি আরও বলেন, “দেশের সীমান্ত এলাকা, সড়কসহ সারা দেশে কোথাও নাগরিকরা আজ সুরক্ষিত নয়, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দুর্ঘটনা ও হামলায় নাগরিকরা প্রাণ হারাচ্ছেন। এর দায় সরকার এড়াতে পারে না। স্থলমাইন বিস্ফোরণে নাগরিকদের মৃত্যুসহ সব অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুরোধে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।” পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করে নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।