জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক আমানুল্লাহ আমান। তিনি কালবেলা পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি।
ঘটনার বিবরণ
ঘটনার বিষয়ে আমানুল্লাহ আমান বলেন, 'উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কয়েকজন সাংবাদিককে বিজ্ঞাপন-সংক্রান্ত বিষয়ে ডেকে নেন। আমরা ইউএনও অফিসে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ করেই সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১০-১২ জন আমার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। ঘটনার সময় ইউএনও পাশের কক্ষে চলে যান। পরে হামলাকারীরা নিচে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।'
সাংবাদিক আমানুল্লাহ অভিযোগ করেন, সরকারি পুকুর ইজারা নিয়ে মাটি ও বালু বিক্রির বিষয়ে বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ছিলেন বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর।
বিএনপি নেতার বক্তব্য
অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ইউএনওর কার্যালয়ে কোনো হামলা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। এটি আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা।'
ইউএনও ও পুলিশের অবস্থান
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তাদুল আলম বলেন, ইউএনওর কার্যালয়ে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



