দুর্গাপুর উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিগ্রি পরীক্ষার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের allegedly হামলায় কলেজ অধ্যক্ষসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
হামলার বিবরণ
দুপুর আড়াইটার দিকে দাওকান্দি সরকারি কলেজে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে ২০২৪ সালের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা কেন্দ্র ও এর আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি ছিল এবং পুলিশ মোতায়েন ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অধ্যক্ষের অফিসে হামলা চালায় এবং বিভিন্ন বিষয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে অতীতে সংঘটিত alleged দুর্নীতিও ছিল।
পরিস্থিতি পরে হামলায় রূপ নেয়, যেখানে অধ্যক্ষ ও বেশ কয়েকজন শিক্ষককে allegedly আক্রমণ করা হয় এবং কলেজ অফিস ভাঙচুর করা হয়।
আহত শিক্ষক
আহতদের মধ্যে আছেন অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা, অধ্যাপক রেজাউল করিম আলম ও দুইজন অন্যান্য কর্মচারী।
আহত শিক্ষকদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অধ্যক্ষ ও আলেয়া খাতুন হীরার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশের উপস্থিতি
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে আগেই তথ্য পেয়েছিল। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে কলেজে পৌঁছে শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের সাথে কয়েক দফা আলোচনা করেন।
তবে পুলিশের উপস্থিতিতেই বিএনপি কর্মীরা হঠাৎ অধ্যক্ষ ও অন্যান্য শিক্ষকের উপর হামলা চালায় এবং অফিস কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর করে।
শিক্ষকদের অভিযোগ
শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ৪০-৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মী এই হামলা চালিয়েছে। তারা আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যকরভাবে হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘটনার পর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, কিছু শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ভয়ে পরীক্ষার হল থেকে পালিয়ে যান।
বিএনপির বক্তব্য
অন্যদিকে বিএনপি নেতারা পরিস্থিতির জন্য কলেজ শিক্ষকদের দায়ী করে বলেন, একজন শিক্ষক তাদের কিছু কর্মীকে চড় মারার পর সংঘর্ষ শুরু হয়। তারা আরও বলেন, কলেজে alleged দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে বিরোধ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের পদক্ষেপ
দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কিছু ব্যক্তি কলেজ চত্বরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



