জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে, মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, বেদি ও ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড স্থাপনসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম কার্যদিবসে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
প্রশ্ন ও জবাব
সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলালের প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদি নির্মাণ, সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড স্থাপনে সরকারের কত অর্থ ব্যয় হয়েছে এবং এ ব্যয়কে অপচয় হিসেবে বিবেচনা করে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব কার্যক্রমে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি এ-সংক্রান্ত ‘মুজিব বর্ষ উদযাপন বাবদ ব্যয় বিবরণী’র একটি কপি সংসদে উপস্থাপন করেন, যাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
পর্যালোচনা চলছে
অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “মুজিব বর্ষের বিষয়টি তো আছেই, এর বাইরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এক বছরের খাওয়াদাওয়ার পেছনেই ৩৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আমরা যদি এভাবে সব হিসাব দিতে শুরু করি, তাহলে আরও অনেক বিষয় সামনে আসবে। আমরা সবকিছু স্টক টেকিং করছি। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আমি নিশ্চিত।”



