আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: নাশকতা আশঙ্কায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থান
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নাশকতা আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এমন একসময়ে এসেছে, যখন দলটি গভীর সংকটে। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা দলটি আজ ক্ষমতার বাইরে, সাংগঠনিকভাবে বিপর্যস্ত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং রাজনৈতিকভাবে অনিশ্চয়তার মুখে। শীর্ষ নেতাদের অনেকেই কারাগারে, আত্মগোপনে কিংবা দেশের বাইরে। টানা দেড় দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা দলটির সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ কি আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে?

চারটি সম্ভাব্য পথ

বর্তমান বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের সামনে মূলত চারটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে বলে মনে করেন রাজনীতি–বিশ্লেষকেরা। প্রথম পথটি হলো সংগঠনকে নতুন করে গড়ে তোলা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসা। দ্বিতীয় পথটি হলো ভূগর্ভস্থ রাজনীতিতে চলে যাওয়া। তৃতীয় পথটি হলো বিদেশি সহায়তার মাধ্যমে পুনরুত্থানের চেষ্টা করা। চতুর্থ পথটি হলো দলটির সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে যাওয়া।

নাশকতা আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে নাশকতার আশঙ্কায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। রোববার সকাল থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাংগঠনিক বিপর্যয়

আওয়ামী লীগ বর্তমানে সাংগঠনিকভাবে বিপর্যস্ত। দলের অধিকাংশ জেলা ও উপজেলা কমিটি ভেঙে পড়েছে। অনেক নেতা-কর্মী দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন। দলের তহবিলও শূন্য প্রায়। এই পরিস্থিতিতে দলটির পুনরুজ্জীবন কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর হঠাৎ করে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারছে না আওয়ামী লীগ। দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বিভেদ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে গেছেন, কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। কারাগারে থাকা নেতারাও এখন দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ