মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির

মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আগামী ২৬ মার্চ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে তিনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসের কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

দিবসটি উপলক্ষে দলের সারা দেশের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, ২৫ মার্চ (বুধবার) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই অনুষ্ঠানে তিনি দিবসের গুরুত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আলোকপাত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

সাধারণত দলগতভাবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কখনও যাননি জামায়াতের শীর্ষ নেতারা। তবে সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের সংসদ সদস্যরা। তখনও দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবেই তারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এবারের বিজ্ঞপ্তিতেও একই কথা উল্লেখ করলো দলটি, যা তাদের অংশগ্রহণকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এর আগে ২০০১ সালে জোট সরকারের সময় মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন দলটির তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। এই ঘটনা জামায়াতের নেতাদের জাতীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান সময়ে ডা. শফিকুর রহমানের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দলটির রাষ্ট্রীয় আচারে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।