নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকের বাসায় চুরি: ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট
নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকের বাসায় চুরি, ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট

নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকের বাসায় চুরি: ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় এক সাংবাদিকের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা আলমারি ও ওয়ার্ডরোব ভেঙে প্রায় ৩২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে। আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা নয়ামাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণ

ভুক্তভোগী সাংবাদিক এ এস এম তৌফিকুন্নবী ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টিভির প্রধান কার্যালয়ে সিনিয়র ভিডিও এডিটর হিসেবে কর্মরত। তাঁর স্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

ঈদের ছুটিতে সাংবাদিক তৌফিকুন্নবীর স্ত্রী তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। তবে নিজের কর্মস্থলে ডিউটি থাকায় তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে বেড়াতে যেতে পারেননি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চুরির পদ্ধতি

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে তৌফিকুন্নবী কর্মস্থলে ঢাকায় যান। দুপুর ১২টার দিকে তাঁর মা ফাতেমা বেগম (৭০) চতুর্থ তলার ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে একই ভবনের দ্বিতীয় তলায় যান। পরে পৌনে ১টার দিকে ফিরে এসে তিনি ফ্ল্যাটের দরজার তালা ভাঙা দেখতে পান। ঘরে ঢুকে আলমারি ও ওয়ার্ডরোব ভাঙা এবং আসবাব এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান।

লিখিত অভিযোগে তৌফিকুন্নবী বলেন, চোরেরা তাঁর কক্ষের কাঠের ওয়ার্ডরোবের লক ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং তাঁর মায়ের কক্ষের স্টিলের আলমারি ভেঙে আরও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর দাবি, চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, 'লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চুরির সময় চোরেরা আলমারি ভাঙচুর ও জিনিসপত্র এলোমেলো করে দিয়েছে, যা অপরাধীদের সাধারণ পদ্ধতি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে।