প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানের হোয়াইট হাউজ সম্মেলনে অংশগ্রহণ
ড. জুবাইদা রহমানের হোয়াইট হাউজ সম্মেলনে অংশগ্রহণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানের হোয়াইট হাউজ সম্মেলনে অংশগ্রহণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত একটি বৈশ্বিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। 'ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট' শীর্ষক এই দুই দিনব্যাপী সম্মেলনটি বিশ্বের ৪৫টিরও বেশি দেশের ফার্স্ট লেডি ও নেতৃবৃন্দের সহধর্মিণীদের একত্রিত করেছিল।

মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ

ড. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বব্যাপী শিশুদের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উন্নয়নের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সংলাপের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। ড. জুবাইদা রহমান চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন, যার মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, অর্থোপেডিক সার্জন শাহ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান।

সম্মেলনের সূচনা ও বাংলাদেশের উদ্যোগ উপস্থাপন

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। ড. জুবাইদা রহমানও উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং শিশুদের যত্ন নেওয়া ও তাদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে একটি বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি শিশুদের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি
  • শিক্ষা খাতে অগ্রগতি
  • স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈশ্বিক সহযোগিতা

সম্মেলনের সময় ড. জুবাইদা রহমান মেলানিয়া ট্রাম্প এবং অন্যান্য দেশের ফার্স্ট লেডি ও সহধর্মিণীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি তাদের সাথে শিশু কল্যাণে বৈশ্বিক সহযোগিতা বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং বিশ্বব্যাপী শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্বের উপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ড. জুবাইদা রহমান ২৫ মার্চ মেলানিয়া ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাৎ করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শিশু কল্যাণের উদ্যোগে সহযোগিতার বিষয়ে একমত হন।

প্রযুক্তি প্রদর্শনী পরিদর্শন

সম্মেলনের পাশাপাশি একটি প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নে উদ্ভাবনী সরঞ্জাম ও অ্যাপ্লিকেশন উপস্থাপন করে। ড. জুবাইদা রহমান এই প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন এবং সর্বশেষ প্রযুক্তিগুলি পর্যবেক্ষণ করেন।

সমাপনী বক্তৃতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার

সমাপনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় ড. জুবাইদা রহমান ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে এই সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সাথে অংশীদারিত্বে কাজ করে সকল শিশুর জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেন। রুমন আরও উল্লেখ করেন যে ড. জুবাইদা রহমান অন্যান্য দেশের ফার্স্ট লেডিদের সাথে মতবিনিময়ের পর সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং একটি গ্রুপ ফটো সেশন ও রিসেপশনে যোগ দেন।

ড. জুবাইদা রহমান ২২ মার্চ ঢাকা ত্যাগ করে লন্ডন হয়ে ২৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। এই সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ শিশু কল্যাণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।