‘হ্যাঁ’ জয়ে অটোমেটিক কার্যকারিতা শুরু হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ যেহেতু জয়যুক্ত হয়েছে, বিজয় হয়েছে, তাই অটোমেটিকভাবে পার্লামেন্টে এই বিলটি উত্থাপনের মধ্য দিয়ে ‘হ্যাঁ’ এর কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে। এর অর্থ হলো এটি সংবিধানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সরকারের এক মাসের অর্জন
এ্যানি চৌধুরী উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তাদের শপথ হয়েছে এবং ১৯ মার্চ এক মাস পূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই একমাসে সরকার দেশের জন্য, দেশবাসীর পাশে কিভাবে দাঁড়িয়েছে তা ব্যাখ্যা করে আপনাদের সামনে বলার প্রয়োজন নেই। আপনারা খুবই সচেতন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সবকিছুই দৃশ্যমান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাজগুলোও খুবই দৃশ্যমান।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচন করেছি, এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছি। জুলাই সনদ পাশ করার মাধ্যমে আমাদের শপথ নিতে হবে এ ধরনের আলোচনা কখনো ছিল না এবং নাইও।’ তিনি নোট অব ডিসেন্ট প্রসঙ্গে বলেন, যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়ার পর সেটা কখনো নেগেটিভ হবে কখনো পজিটিভ হবে।
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড
মন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ে বলেন, অনেকেই মনে করেছেন নির্বাচনের জন্য তারা এটি বলেছেন। রাজনৈতিক কারণে তাদের প্রতিপক্ষ বলেছে, ফ্যামিলি কার্ড তারা দেবেন না, দিতে পারবেন না, দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি জানান, ইতোমধ্যে তারেক রহমান পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে তা দৃশ্যমান করে দিয়েছেন এবং আগামী মাসে ‘কৃষক কার্ড’ আসছে।
এ্যানি চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর কাজের প্রশংসা করে বলেন, ‘প্রত্যেকটা জিনিস প্রধানমন্ত্রী অ্যাড্রেস করছেন, রাষ্ট্রের কোথায় কখন কি দরকার। তিনি ছুটির দিনে ক্যাবিনেট মিটিং করছেন, অফিস করছেন। এই জিনিসগুলো যদি ৫ বছর অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে এই সুবিধা দেশবাসীই পাবে।’
বিরোধী দলের ভূমিকা
পার্লামেন্টে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পার্লামেন্টে যখন আমরা সরকারি দল বসি, আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পাশেই বিরোধী দল বসে। তারা যেন ভালো কাজগুলো অ্যাড্রেস করেন। আমরা যে শতভাগ ভালো কাজগুলো করতে পারবো, তাও তো না। ভুল ধরিয়ে দেন।’ তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমির তাদের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এই ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক শাহাবুদ্দিন শাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ ও জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মো. এমরান প্রমুখ। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।



