বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার শিক্ষা খাতকে দলীয়করণ করে প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে। শিক্ষার মান এতটাই নিচে নেমে গেছে, যা দেখলে লজ্জা হয়। তারা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।
শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য
শনিবার (২ মে) বিকালে বদরগঞ্জ মডেল হাইস্কুলের হলরুমে উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে জানিয়েছে যে, এই বছর স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে। যদি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো যায়, তবে শিক্ষকদের সমস্যা সমাধান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। তাই সরকারকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গ
গণভোট ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নিয়েছে। সরকার যদি জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ভুলে যায়, তবে তার পরিণতি ভালো হবে না। দেশের জনগণ এখন আর কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে পিছপা হবে না।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছেন। একইভাবে বেগম খালেদা জিয়াও ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করেছেন।
শিক্ষকদের গুরুত্ব
শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষকদের সমস্যা সমাধান ও তাদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মান আরও বৃদ্ধি পাবে। যারা সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, সেখানে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি তারাগঞ্জ উপজেলাতেও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।



