সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ১৪ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়ে তারা আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল তাদের জামিন মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিরা কারা?
আসামিরা হলেন– পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনিরুল শহীদ মুন্না, জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত, পাঁচবিবি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নূর হোসেন, পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস কে হক, পাঁচবিবি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রতন হোসেন সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নিশাত চৌধুরী, ভাদসা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাশির হোসেন, ইউপি মেম্বার পিন্টু হোসেন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম মিলন এবং পুরানাপৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ।
আদালতের নির্দেশ
জয়পুরহাট আদালতের ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘আসামিরা জুলাই আন্দোলনে হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিলেন। তারা আজ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর না করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’



