বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন ঘটল। আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
শেষ মুহূর্ত
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজনৈতিক জীবন
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে দেশের বাণিজ্য ও শিল্প খাত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করে।
শোক ও শ্রদ্ধা
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সামাজিক মাধ্যমে তার স্মৃতিচারণ করে অনেকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তিন দিনের শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
পরিবার ও শেষকৃত্য
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। রবিবার বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে তার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উত্তরাধিকার
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে এক শূন্যতা সৃষ্টি হলো। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও দেশপ্রেম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।



