জামালপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড
জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা তিনটার দিকে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত–১–এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. রাশেদুর রহমান (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), মো. জসিম (৩২) ও আসমত আলী (৩৫)। রায়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ইদ্রিছ আলীকে খালাস দেন আদালত। তাঁরা বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ বকশীগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাঁর স্বামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে ওই গৃহবধূ ইদ্রিছ আলীর ব্যাটারিচালিত অটোরিশায় ঝগড়ারচর বাজার থেকে নিলক্ষীয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলার মাঞ্জালিয়া সেতু এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা অটোরিকশাটি দাঁড় করান। পরে তাঁরা ওই গৃহবধূকে অটোরিকশা থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে অন্য একটি ভ্যানগাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পরে স্থানীয় একটি পরিত্যক্ত বাড়ির রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে আসামিরা ওই গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও রায়

খবর পেয়ে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরদিন ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এতে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করা হয়। শুনানি শেষে আজ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত–১–এর সরকারি কৌঁসুলি ফজলুল হক বলেন, "মামলায় ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। দীর্ঘ শুনানিতে অভিযোগটি প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে আদালত ওই সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আর একজনকে খালাস দেন। আসামিদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"