শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো সেশনজট হতে দেব না। ২০২৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন আমরা করে ফেলেছি। মাধ্যমিকের ফলাফল জুলাই মাসে দেওয়া হবে। এখন থেকে এইচএসসি পরীক্ষার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিকে সিনক্রোনাইজ করা হবে। শিক্ষার্থীদের সময় আর নষ্ট হবে না।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য
সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, সব ধরনের বৈষম্য দূর করে কারিগরি শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও ঢেলে সাজাচ্ছি। যেখানে শিক্ষক নেই, আমরা দু-তিন মাসের ভেতর শিক্ষক নিয়োগ দেব। আমরা তিন মাসের ভেতর মোটামুটি লাইনে নিয়ে আসতে পারব।
শিক্ষক নিয়োগ ও অতীত সরকারের সমালোচনা
তিনি বলেন, অতীতের সরকার অনেক কিছু করেনি। বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষক সঙ্কট রয়েছে, মামলার জটিলতার কারণে আটকে ছিল। এবার হাইকোর্ট বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং তারা মামলার জট খুলে দিচ্ছেন। হাই স্কুলে শিক্ষক যাবে, এমপিও প্রতিষ্ঠানে যাবে। কলেজে শিক্ষক নিয়োগ হয় পিএসসির মাধ্যমে তাই একটু সময় লাগবে, তবে বেশি সময় লাগবে না।
প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন, হাই স্কুল ও সরকারি হাই স্কুলে ৯ হাজার, ইসলামী শিক্ষক ৯ হাজার; মানে আমাদের হিউজ শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। কেনো জানো? কারণ আওয়ামী লীগ সরকার চেয়েছে দেশটা ধ্বংস করে দিতে। আমি জানি এ জায়গাটা অত্যন্ত কঠিন জায়গা।
সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
কলেজের অধ্যক্ষ মো. আফতাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখারী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম সিকদার, সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবদুল মতিন লিটন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজলুল কবির ফয়সাল, সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান রাজন প্রমুখ।



