মাদকের বড় চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে আসে: গয়েশ্বর
মাদকের বড় চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে আসে

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মাদক চোরাচালান প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মাদকের সবচেয়ে বড় চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে আসে।

বদী প্রসঙ্গে গয়েশ্বরের মন্তব্য

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, 'আগে শুনতাম বদী, এখনতো বদী নাই, বদীতো ভয় পেয়ে গেছে গা। এখন ওখানকার দায়িত্বটা কে নিয়েছে? বাড়ির আশেপাশের লোক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তো চেনার কথা। এতদিনে ওইদিক দিয়ে মাদক আসা বন্ধ হওয়া উচিত ছিল।' তিনি আইন প্রয়োগে সাহসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, 'আইন দিয়ে কোনো কিছু হয় না, আইন কার্যকর করতে সাহস লাগে, সৎ সাহস লাগে এবং ইচ্ছা লাগে।'

নির্বাচনী এলাকায় হাসপাতাল মাদকের আখড়া

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার নিজের নির্বাচনী এলাকার একটি হাসপাতালের উদাহরণ টেনে বলেন, 'আমার এলাকায় হাসপাতালের সাইনবোর্ড লেখা আছে। আমাদের সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ ভাই উদ্বোধন করেছেন, তার নাম লেখা আছে, আমানউল্লাহ আমান উপস্থিত ছিলেন এমন নামফলক আছে। কিন্তু ১০ শয্যা বিশিষ্ট সেই হাসপাতালটি এখন পুরাই মাদকের আখড়া। সেখানে কোনো রোগী, ডাক্তার ও দারোয়ান নেই।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জনসংখ্যার ঘনত্ব ও স্বাস্থ্যসেবার অভাব

তিনি আরও বলেন, 'একটা নির্বাচনী এলাকায় ১০ শয্যার হাসপাতাল আছে, এটা নিয়ে কি গর্ব, অহংকার, কত কিছু করে ফেলছি। সেখানে আদমশুমারি অনুযায়ী লোক সংখ্যা ৬ লাখ হলেও বেসরকারিভাবে ১৫ লাখ লোকের বসবাস। অথচ সেখানে যে একটি হাসপাতাল আছে, সেটিও এখন মাদকাসক্ত।'

মাদকাসক্তিকে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন মাদকাসক্তি। উল্লেখ্য, আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদী বর্তমানে কারাগারে বন্দি আছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ