ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা ইসির
ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা ইসির

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫-এ পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিবর্তিত নীতিমালায় ভোটার সংখ্যার অনুপাতে ভোটকক্ষ নির্ধারণের আগের নিয়ম সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

নতুন নিয়মে ভোটকক্ষ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-৩) মো. রশিদ মিয়ার সাক্ষর করা এক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ নির্বাচনে গড়ে প্রতি ২ হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

আগে যেখানে সাধারণভাবে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকত, নতুন নিয়মে সেটি বাড়িয়ে প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপনির্বাচনেও একই নিয়ম

একইভাবে উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও নিয়ম সংশোধন করা হয়েছে। আগে উপনির্বাচনে কোনও একটি পদে ভোটের জন্য ৫০০ জন পুরুষ এবং ৪০০ জন মহিলা ভোটারের বিপরীতে একটি কক্ষ ব্যবহৃত হতো। এখন সাধারণ নির্বাচন বা উপনির্বাচন উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকবে।

ভোটকক্ষে চাপ কমানোর ব্যবস্থা

চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজনে একাধিক গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস তৈরি করা যাবে বলেও নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আগের নিয়ম বহাল রেখে জানানো হয়েছে, প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডের সীমানার ভেতরেই একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে একই ওয়ার্ডে একাধিক ভোটকেন্দ্রও স্থাপন করা যাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ