জুলাই অভ্যুত্থানে গ্রেপ্তার দেখানো সাবেক এমপি সাবিনা ও রোকেয়ার নির্দেশ
জুলাই অভ্যুত্থানে গ্রেপ্তার দেখানো সাবিনা ও রোকেয়া

ঢাকার একটি আদালত সোমবার জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার টুহিন ও কাফরুল থানা মহিলা লীগের সভানেত্রী রোকেয়া জামালকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের আদেশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সোমবার সকালে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. আহসান সোহেল সৌরভ, যিনি হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, তিনি সাবিনা আক্তার টুহিনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। অপর একটি প্রক্রিয়ায় একই থানার উপ-পরিদর্শক মো. কবির হোসেন রোকেয়া জামালকে আদালতে হাজির করে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান।

শুনানি ও রায়

শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শামসুদ্দোহা সুমন প্রসিকিউশনের আবেদন সমর্থন করেন, অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন আবেদনের বিরোধিতা করে উভয় আসামির জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামিকে পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিবরণ

মামলার বিবরণে বলা হয়, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর-১৪-এর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে বাদী ও ভুক্তভোগী মিলন পান্নাকে গুলি করা হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ৪০০-৫০০ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় সাবিনা আক্তার টুহিনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

একই আন্দোলনের সময় পৃথক একটি ঘটনায় মিরপুর-১০-এ মো. শাকিলকে গুলি করা হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বাবা প্রধান আসামিসহ প্রায় ৩০০ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় রোকেয়া জামালকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তকারীদের বক্তব্য

তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতকে জানান, মামলার সঠিক তদন্তের জন্য আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। আদালত উভয় আবেদন মঞ্জুর করেন।