প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত আদালতের হাতে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।”
সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্তব্য
মঙ্গলবার (১৩ মে) প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট (পিআইডি)-এ সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাঠে রাজনৈতিক দলগুলোর উপস্থিতি প্রসঙ্গে ড. জাহেদ বলেন, “আমার মনে হয় তারা প্রতীকী কারণে সেখানে আছে। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। আসলে ‘নিষিদ্ধ’ শব্দটি হয়তো সম্পূর্ণ সঠিক নয়। প্রযুক্তিগতভাবে বলতে গেলে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সেই নির্ধারণ করবে আদালত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।”
বিচারিক প্রক্রিয়া ও সীমাবদ্ধতা
উপদেষ্টা আরও বলেন, “তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল কিনা তা বিচারের পর নির্ধারিত হবে। ততদিন পর্যন্ত তারা বিচারাধীন থাকবে এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে। দলটি যদি মাঠে কোনো কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করে, তবে তা আইন লঙ্ঘন হবে। সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। বাস্তবে, এ বিষয়ে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর করার মতো কিছু নেই। তারা প্রতীকী কারণে উপস্থিত থাকতে পারে এবং বিভিন্ন বিবৃতি দিতে পারে।”
নিষিদ্ধের প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ২০২৫ সালের ১২ মে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং অঙ্গসংগঠনের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।



