রাজশাহীতে ২০ বছর আত্মগোপনে থাকা ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
রাজশাহীতে ২০ বছর আত্মগোপনে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

রাজশাহীতে দীর্ঘ ২০ বছর আত্মগোপনে থাকা ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

রাজশাহীতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা বরিশালের একটি ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এই আসামি মো. খলিল নামে পরিচিত, যিনি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বারাইকান্দি গুঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) সকালে র‌্যাব-৫-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আসামির পরিচয় ও মামলার বিবরণ

র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, উজিরপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলায় মো. খলিল যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। মামলার রায় ঘোষণার পর তিনি পলাতক হয়ে যান এবং সাজা এড়াতে ছদ্মবেশ ধারণ করে রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করতে শুরু করেন। তার এই আত্মগোপন করার প্রচেষ্টা প্রায় দুই দশক ধরে চলছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে পারেননি।

গ্রেফতার ও অভিযানের বিস্তারিত

সোমবার (০৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে র‌্যাব রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের সময় মো. খলিলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কারাদণ্ড নিয়ে পলাতক থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন, যা তার দীর্ঘদিনের আত্মগোপনের কাহিনীকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতারের পর, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিকে রাজপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাবের এই সফল অভিযানটি স্থানীয় সম্প্রদায়ে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাফল্য

এই ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়তা ও দক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে থাকা সত্ত্বেও, র‌্যাবের নিবিড় তদন্ত ও নজরদারির মাধ্যমে আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এটি অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে যে, আইনের হাত থেকে পালানো অসম্ভব।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই গ্রেফতারের ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং আশা করছেন যে, এর মাধ্যমে অন্যান্য মামলার আসামিদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‌্যাবের এই কার্যক্রম সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।