গাইবান্ধায় থানায় হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুই নেতা গ্রেপ্তার
থানায় হামলায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় থানায় হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুই নেতা গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ আটজন পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় জামায়াতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের দীঘলকান্দি এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরিচয়

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মামলার ১ নম্বর আসামি ও পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মালবিষয়ক সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান মুঠোফোনে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার করা আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাতে পলাশ আহমেদের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ২১ জন পলাশবাড়ী থানার ওসির কক্ষে ঢুকে পড়েন। তাঁরা পলাশবাড়ী বাজারের একটি মুরগির দোকান তালাবদ্ধ করার জন্য ওসি সরোয়ার আলম খানকে চাপ দেন এবং গালিগালাজ করতে থাকেন।

একপর্যায়ে পলাশ আহমেদের নেতৃত্বে ওসির শার্টের কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে এলোপাতাড়িভাবে লাথি ও কিলঘুষি মারেন। তাঁরা থানার কক্ষে ঢুকে সরকারি বিভিন্ন রেজিস্টারপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। এতে বাধা দিলে তাঁরা কয়েকজন কনস্টেবলকে মারধর করেন। পরে পলাশ আহমেদ থানা ঘেরাও করার হুমকি দিয়ে চলে যান।

মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি

ওই রাতেই পলাশবাড়ী থানার সহকারী উপপরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় পলাশ আহমেদকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।