মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় দফায় রিমান্ড আদেশ
মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় রিমান্ড

মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় দফায় রিমান্ড আদেশ

রাজধানীর পল্টন থানায় মানবপাচার আইনে করা মামলায় এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই নিয়ে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হলো তাকে।

শুক্রবারের আদালত শুনানি

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এই আদেশ দেন। দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে আজ আসামিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মো. রায়হানুর রহমান।

আসামির চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার ও পূর্ববর্তী রিমান্ড

এর আগে, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২৯ মার্চ আবার তাকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয়তা

আজকের আবেদনে বলা হয়, ছয় দিনের রিমান্ডে আসামিকে অতি সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু, সময় স্বল্পতার কারণে পাওয়া অফ অ্যাটর্নিপ্রাপ্ত এজেন্সিগুলো নির্বাচনের পদ্ধতি, এফডব্লিউসিএসএমের অপারেশনাল কার্যক্রম, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় কতজন কর্মী পাঠিয়েছে, আসামির এজেন্সির মাধ্যমে পাঠানো যাত্রীদের মধ্যে কতজন ফেরত এসেছে, মেডিকেল ফি বাবদ কত টাকা নেওয়া হয়েছে এবং ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পত্রগুলো সম্পর্কে আসামিকে সম্মুখে জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছ থেকে পুরোপুরি তথ্য পাওয়া যায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এতে আরও বলা হয়, আসামি এজেন্সির মাধ্যমে পাঠানো যাত্রীদের মধ্যে কতজন ফেরত এসেছে তার তথ্য, মেডিকেল ফি বাবদ কত টাকা নিয়েছে, পলাতক আসামি গ্রেফতার, আত্মসাৎ টাকা উদ্ধার এবং ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার ডকুমেন্টগুলো পর্যালোচনার জন্য আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ফের চার দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।

এই রিমান্ড আদেশের মাধ্যমে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ মানবপাচার মামলার গভীরে যাওয়ার সুযোগ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং আদালতের এই সিদ্ধান্ত তদন্ত প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে।