কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সাক্ষাতের জন্য ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি হাওরাঞ্চলের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির বিষয় তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারে যা বললেন ফজলুর রহমান
বুধবার (৬ মে) রাতে যুগান্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান ফজলুর রহমান। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন যোবায়ের আহসান জাবের। ফজলুর রহমান বলেন, 'আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ডেকেছেন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) চারটায় উনার সঙ্গে আমি কথা বলব। এলাকার কথা বলব। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে এলাকা নিয়ে কালকে সামনাসামনি কথা হবে। উনি আমাদেরকে ডেকেছেন। আমি গত দুই-তিন দিন এলাকাতে ছিলাম।'
তিনি বলেন, বন্যার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাকে এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। অন্য কোনো সরকার এভাবে আগে ঘোষণা দেয়নি। এটা অত্যন্ত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।'
হাওরের ক্ষতি নজিরবিহীন
তিনি আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি এবার অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভয়াবহ। তার ভাষায়, 'আমার স্মরণকালের মধ্যে ধানের হাওরে এত বড় ক্ষতি আর কখনো দেখিনি।' এমপি ফজলুর রহমান জানান, এবার শুধু আগাম বন্যা নয়, টানা বৃষ্টিতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উজান-ভাটির বিভাজন ছাড়াই সব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তার নির্বাচনি এলাকার ২৪টি ইউনিয়নই সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, 'এবারের ক্ষতি পাঁচ বছরেও কৃষকরা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে, যদি দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যথাযথ সহায়তা না আসে।' তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই তিনি এলাকায় যান এবং ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন হাওর এলাকা ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
বৈঠকে কী তুলে ধরবেন?
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশা, পুনর্বাসন এবং জরুরি সহায়তার বিষয়গুলো তুলে ধরবেন বলে জানান।



