ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস বুধবার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ
গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়, যেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া...।’
পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করেন। ওইদিন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে বাড্ডা থানার হেফাজতে নেয়া হয় সুদীপ চক্রবর্তীকে। পরদিন তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের আদেশ
গত রোববার আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। সুদীপের পক্ষে তার আইনজীবী মধু সূদন দেব জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।



