পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগের তিন নেতা। তিনজনই যুবলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে তাঁরা এলাকায় থাকতেন না। মামলার আসামি হয়ে ছিলেন আত্মগোপনে। তবে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতির মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে এলাকায় এসে গতকাল শুক্রবার তিনজনই গ্রেপ্তার হন পুলিশের হাতে। খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভা এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
গ্রেপ্তার তিন যুবলীগ নেতা
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন রামগড় পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম (৩৪), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (৩১) এবং সদস্য মো. মানিক (২৭)। শুক্রবার সকালে রামগড় পৌরসভার বল্টুরামটিলা ও মুসলিমপাড়া এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরণ
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এর একটি ২০২৩ সালে যুবলীগের দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় করা হয়। অপর মামলাটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালে করা হয়েছে।
বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা ওই তিনজন পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ সোহেলের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এলাকায় আসেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তাঁরা। এরপর রাতে নিজ নিজ বাড়িতে ঘুমাতে যান। শুক্রবার দুপুরেও বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁদের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই সকালে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশের বক্তব্য
জানতে চাইলে রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক তিন আসামিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।



