শিক্ষাবিদ নওশাবা খাতুনের ইন্তেকাল, বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর
শিক্ষাবিদ নওশাবা খাতুনের ইন্তেকাল, বয়স ৯৯

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও জনহিতৈষী অধ্যাপক নওশাবা খাতুন আজ শুক্রবার সকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

১৯২৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন নওশাবা খাতুন। তাঁর মায়ের নাম ফিরদৌসী বানু এবং বাবার নাম সৈয়দ আনোয়ার আহমেদ। তিনি ছিলেন মা–বাবার একমাত্র সন্তান। নওশাবা খাতুন কলকাতার লরেটো স্কুলে পড়াশোনা করেন। কলকাতাতেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড, এমএড এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে মেধাতালিকায় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছিলেন।

শিক্ষকতা ও কর্মজীবন

নওশাবা খাতুন শিক্ষকতায় নিবেদিত ছিলেন। তিনি কামরুন্নেসা স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল, বাংলা বাজার স্কুল, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন। নওশাবা খাতুন পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে যোগ দেন। সেখানে তিনি মনোবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন। সেখানেই ২৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমাজসেবা ও অবদান

অবসরের পর নওশাবা খাতুন জনহিতকর কাজে নিবেদিত হন। তিনি সমাজ উন্নয়ন, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন, হেমান্তি, সেন্টার ফর সাইকোলজিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংসহ বিভিন্ন দাতব্য ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি কাজ করেছেন।

পারিবারিক জীবন

২০১০ সালে নওশাবা খাতুনের স্বামী কলিম শরাফী ইন্তেকাল করেন। নওশাবা খাতুন তাঁর সন্তান, নাতি-নাতনি এবং প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী রেখে গেছেন। খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ফিরদৌসী কাদরী তাঁর মেয়ে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেষকৃত্য ও শ্রদ্ধা

নওশাবা খাতুনের জীবন ছিল শিক্ষা, সহমর্মিতা ও সেবায় নিয়োজিত। তিনি যাদের শিক্ষা দিয়েছেন ও পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের হৃদয়ে রয়ে গেছেন। আজ বাদ আসর রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত আজাদ মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।