স্ত্রীকে আনতে গিয়ে পিটুনি: কুড়িগ্রামে যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ২
স্ত্রীকে আনতে গিয়ে পিটুনি: কুড়িগ্রামে যুবক নিহত

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে নির্মম পিটুনির শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র‍্যাব।

নিহতের পরিচয়

নিহত ব্যক্তির নাম মো. আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫)। তিনি ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে।

গ্রেপ্তারকৃতরা

গ্রেপ্তাররা হলেন, নিহতের শালক মিজানুর রহমান (৩৮) ও স্ত্রী মোছা. জেসমিন খাতুন (২৩)।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

র‍্যাব জানায়, নিহত আক্তারুজ্জামান প্রায় পাঁচ বছর আগে মোছা. জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। গত ১৭ এপ্রিল সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী, তার ভাই মিজানুর রহমান এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মিলে রুবেলকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও কাঠের টুকরা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে।

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তিনি মারা যান।

মামলা ও গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় (২৫ এপ্রিল) নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা) এর যৌথ অভিযানে বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান ও ২ নম্বর আসামি জেসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রংপুর র‍্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরনের গুরুতর অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ