বন্যা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাঝেও মোবাইল কল, ইন্টারনেট সেবা ও মোবাইল আর্থিক প্ল্যাটফর্মগুলো প্রায়ই সচল থাকে। এর কারণ হলো ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, নেটওয়ার্ক রিডান্ডেন্সি ও নিরবচ্ছিন্ন মনিটরিং।
ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ও জেনারেটরের ভূমিকা
যখন বিদ্যুৎ চলে যায়, মোবাইল টাওয়ারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারি ব্যাকআপে চলে যায়, যা সাধারণত দুই থেকে ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়। যদি বিদ্যুৎ বিভ্রাট দীর্ঘ হয়, অপারেটররা মূল টাওয়ার সাইটগুলোতে ডিজেল জেনারেটর চালু করে সেবা চালু রাখে।
বন্যার সময় জ্বালানি, খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ দল ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ারে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়ে। অপারেটররা বিকল্প রুট বা নৌকা ব্যবহার করে সরবরাহ পৌঁছে দেয়।
ট্রান্সমিশন ও ডেটা সেন্টারের গুরুত্ব
শুধু টাওয়ার চালু রাখাই যথেষ্ট নয়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ডেটা সেন্টার, অপটিক্যাল ফাইবার ও ট্রান্সমিশন লিংকের ওপর নির্ভরশীল। এসব উপাদানের যেকোনো একটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে কল, ইন্টারনেট, ওটিপি ও মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যাহত হতে পারে।
বিভ্রাট কমানোর জন্য অপারেটররা ব্যাকআপ ট্রান্সমিশন সিস্টেম রাখে এবং চব্বিশ ঘণ্টা নেটওয়ার্ক মনিটর করে। সমস্যা দেখা দিলে কারিগরি দল পাঠানো হয়।
বন্যায় মোবাইল সেবার প্রয়োজনীয়তা
দুর্যোগের সময় নির্ভরযোগ্য মোবাইল সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি উদ্ধার অভিযান, জরুরি সেবা, সরকারি সতর্কতা, আর্থিক লেনদেন ও প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ সহায়তা করে। তাই বন্যার সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখা জরুরি প্রতিক্রিয়ার একটি মূল অংশ।



