অস্ট্রিয়ায় ১৪ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করছে সরকার
অস্ট্রিয়ায় শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ

অস্ট্রিয়ায় শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করছে সরকার

অস্ট্রিয়ার সরকার শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়েছে দীর্ঘ আলোচনার পর ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে। সরকারের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের উপর সামাজিক মাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনা।

সামাজিক মাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব

উপ-চ্যান্সেলর আন্ড্রেয়াস বেবলার একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "এই প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ভরশীল করে তোলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, "পিতামাতাদের পক্ষে তাদের সন্তানদের এই প্ল্যাটফর্মগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।" এই বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যমের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

নতুন স্কুল বিষয়: মিডিয়া ও গণতন্ত্র

সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি নতুন বাধ্যতামূলক স্কুল বিষয় চালু করা হবে, যার নাম হবে "মিডিয়া ও গণতন্ত্র"। এই বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে শিখবে এবং গণতন্ত্রবিরোধী প্রভাবের চেষ্টা চিনতে পারবে। এটি শিক্ষা ব্যবস্থায় মিডিয়া সাক্ষরতা উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্যোগ

অস্ট্রিয়ার এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশগুলোর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফ্রান্স, স্পেন এবং ডেনমার্কের মতো দেশগুলো সামাজিক নেটওয়ার্কের জন্য একটি ডিজিটাল বয়সের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই উদ্যোগগুলো শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপ জুড়ে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে এই নিষেধাজ্ঞা এবং নতুন শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের মিডিয়া ব্যবহারের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তারা বিশ্বাস করেন যে এটি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।