আলুর খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগানোর উপায়
আলুর খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগানোর উপায়

আমাদের রান্নাঘরে আলু একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় উপাদান। আলু দিয়ে নানা ধরনের খাবার তৈরি হলেও বেশিরভাগ সময় এর খোসা ফেলে দেওয়া হয়। অথচ সামান্য সচেতনতা থাকলে এই খোসাগুলোও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক আলুর খোসা ব্যবহারের কয়েকটি কার্যকর উপায়।

খোসা দিয়ে বানাতে পারেন মুচমুচে চিপস

আলুর খোসা দিয়ে সহজেই সুস্বাদু চিপস তৈরি করা যায়। ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া খোসাগুলো তেলে ভেজে বা এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা যেতে পারে। এরপর লবণ, গোলমরিচ কিংবা পছন্দের মসলা মিশিয়ে পরিবেশন করুন। চাইলে ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট বেক করেও স্বাস্থ্যকর চিপস তৈরি করা সম্ভব।

গাছের যত্নে ব্যবহার

আলুর খোসা সেদ্ধ করে পাওয়া তরল কিছু মানুষ গাছের পরিচর্যায় ব্যবহার করেন। খোসা থেকে নির্গত কিছু প্রাকৃতিক উপাদান উদ্ভিদের জন্য উপকারী হতে পারে। সেদ্ধ করার পর তরল ঠান্ডা করে গাছে স্প্রে করা যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কম্পোস্ট তৈরিতে উপকারী

জৈব সার বা কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে আলুর খোসা একটি ভালো উপাদান। এতে থাকা পুষ্টি উপাদান কম্পোস্টের গুণগত মান বাড়াতে সাহায্য করে। তবে কম্পোস্টের স্তূপে পর্যাপ্ত তাপ না থাকলে খোসা থেকে নতুন অঙ্কুর গজানোর সম্ভাবনা থাকে, তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

মাশরুম চাষেও কাজে লাগে

মাশরুম চাষের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন জৈব উপকরণের সঙ্গে আলুর খোসা মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। কাঠের গুঁড়া ও মাশরুম স্পনের সঙ্গে খোসা যোগ করলে তা বাড়তি পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। ব্যবহার শেষে অবশিষ্ট মিশ্রণ কম্পোস্ট হিসেবেও কাজে লাগে।

সামান্য সৃজনশীলতা ও সচেতনতার মাধ্যমে ফেলে দেওয়া আলুর খোসাকেও বিভিন্ন উপকারী কাজে লাগানো সম্ভব। এতে যেমন অপচয় কমে, তেমনি পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে ওঠে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ