স্মার্টফোনে আসক্তি কমাতে ৫ কার্যকরী টিপস
স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে ৫ টিপস

স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে ৩ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার ঝুঁকি ২০% বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

স্ক্রিন টাইম সীমিত করুন

প্রথমেই নিজের স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ করুন। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড উভয় অপারেটিং সিস্টেমেই স্ক্রিন টাইম ট্র্যাক করার অপশন রয়েছে। দিনে সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। প্রয়োজনে অ্যাপ লক বা টাইমার ব্যবহার করুন।

নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন

অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে ফোনের প্রতি মনোযোগ কমে। শুধু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু রাখুন। এতে করে ফোন বারবার চেক করার অভ্যাস কমবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফোন-মুক্ত সময় নির্ধারণ করুন

প্রতিদিন কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকার অভ্যাস করুন। যেমন খাওয়ার সময়, ঘুমানোর আগে ১ ঘণ্টা, বা পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সময় ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখুন।

বিকল্প অভ্যাস গড়ে তুলুন

ফোন ব্যবহারের সময় কমাতে বিকল্প কার্যক্রম বেছে নিন। বই পড়া, ব্যায়াম করা, বা বাইরে হাঁটার মতো শারীরিক কর্মকাণ্ড ফোনের প্রতি আসক্তি কমাতে সহায়ক।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমান

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলো সবচেয়ে বেশি সময় নেয়। এই অ্যাপগুলোর ব্যবহার সীমিত করুন। প্রয়োজনে অ্যাপ ডিলিট করে রাখুন বা নির্দিষ্ট সময়ে শুধু ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানো সময় ৫০% কমানো সম্ভব হলে মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ