ফ্রি ওয়াইফাই আসছে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড গাড়িতে: আইসিটি মন্ত্রী
ফ্রি ওয়াইফাই বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড গাড়িতে

ফ্রি ওয়াইফাই আসছে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও হাইস্পিড গাড়িতে: আইসিটি মন্ত্রী

ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান যুগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই খাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, যা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থা

মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা অনুসারে দেশের সকল বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এবং হাইস্পিড গাড়িতে ফ্রি ওয়াইফাই-এর ব্যবস্থা করা হবে। এই উদ্যোগটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা জনগণের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও আধুনিক করবে।

টাঙ্গাইলের মতবিনিময় সভায় ঘোষণা

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাগুলো দেন। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করবে।

আইসিটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য

পাশাপাশি, মন্ত্রী ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনেক বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আইসিটি খাত শুধু আধুনিকীকরণ নয়, বরং এটি দেশের যুবসমাজের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের দরজা খুলে দেবে।"

সমন্বিত কাজের আহ্বান

মতবিনিময় সভায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন মন্ত্রী। তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে লক্ষ্যগুলো সময়মতো অর্জন করা যায়।

উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ

এই সভায় জেলা প্রশাসক শরিফা হক, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীনসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এই উদ্যোগের গুরুত্বকে আরও তুলে ধরে।

সর্বোপরি, এই পদক্ষেপগুলো ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরের দিকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, যা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।