তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক যুগে তথ্যই সবচেয়ে শক্তিশালী সম্পদ। তথ্য ব্যবস্থাপনা ও গণসংযোগ কার্যক্রমকে ডিজিটাল বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্র ও সমাজ পিছিয়ে পড়বে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি
রবিবার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত 'নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও কর্মপরিকল্পনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এ কে এম ইয়াছির খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সমন্বয় ও দলগত কাজের গুরুত্ব
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সমান্তরাল ও সিঙ্ক্রোনাইজডভাবে পরিচালনার জন্য কার্যকর সমন্বয় ও দলগত কাজ অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সক্ষমতাকে একীভূত করলে বহুগুণ ফল পাওয়া যায়।
ডিজিটাল সাক্ষরতা মৌলিক যোগ্যতা
ডিজিটাল সাক্ষরতাকে মৌলিক যোগ্যতা হিসেবে বর্ণনা করে স্বপন সতর্ক করেন, যারা ডিজিটাল জ্ঞানে পিছিয়ে থাকবে তারা ভবিষ্যতের যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে কার্যকরভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের জন্য সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করতে সরকার কাজ করছে।
শক্তিশালী ডিজিটাল পাবলিক রিলেশনস নেটওয়ার্ক
তাঁর মতে, তথ্য কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা শক্তিশালী করলে তথ্য মন্ত্রণালয় একটি মজবুত ডিজিটাল পাবলিক রিলেশনস নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হবে, যা রাষ্ট্রীয় নীতি, উন্নয়ন কার্যক্রম ও জনমতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
প্রতিমন্ত্রী ইয়াছির খান চৌধুরী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য ও অপতথ্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতা ও নৈতিক দায়িত্বের ওপর জোর দেন।
এছাড়াও তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়কে সরকারের ভাবমূর্তি তুলে ধরার মূল মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করে জনসংযোগ কর্মকর্তাদের আরও সমন্বিত ও দক্ষ কাজ করার আহ্বান জানান।



