স্মার্টফোনে ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্লুটুথের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা বিশ্বে বেড়েই চলেছে। এ ধরনের আক্রমণ থেকে বাঁচতে ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ব্লুটুথের মাধ্যমে কীভাবে ভাইরাস ছড়ায়?
ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর প্রক্রিয়াটি সহজ। আক্রমণকারী তার ডিভাইসের মাধ্যমে কাছাকাছি থাকা অন্য ডিভাইসে ম্যালওয়্যার পাঠাতে পারে। এটি সাধারণত ব্লুটুথের 'পেয়ারিং' প্রক্রিয়ার সময় ঘটে। একবার পেয়ারিং হয়ে গেলে, আক্রমণকারী দূরবর্তীভাবে ডিভাইসে প্রবেশ করতে পারে এবং তথ্য চুরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে। ব্যবহারকারীদের অপরিচিত ডিভাইসের সাথে পেয়ারিং না করার পরামর্শ দিচ্ছি।' তিনি আরও বলেন, 'ব্লুটুথ বন্ধ রাখলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।'
কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?
ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাস থেকে বাঁচতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, ব্লুটুথ কেবল প্রয়োজন হলেই চালু করুন। দ্বিতীয়ত, অপরিচিত ডিভাইসের সাথে পেয়ারিং করবেন না। তৃতীয়ত, ডিভাইসের সফটওয়্যার আপডেট রাখুন। চতুর্থত, অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।
ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাসের প্রভাব
ব্লুটুথের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ালে ডিভাইসের তথ্য চুরি হতে পারে, ব্যক্তিগত ফাইল নষ্ট হতে পারে এবং ডিভাইসের কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে ব্লুটুথের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার আক্রমণের হার ২০২৩ সালে ২০% বেড়েছে।



