চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল: ফেসবুকে ভুয়া পোস্টের অভিযোগে গ্রেফতার
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল মামলা

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল মামলায় গ্রেফতার

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি গুলশান থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এ এম হাসান নাসিম নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে নিলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ ও রিমান্ড আবেদন

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালত এ নির্দেশ দেন। এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই রায়হানুর রহমান। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম বলেন, আদালত জামিন ও রিমান্ড উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) জামিনের শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিস্তারিত ঘটনা

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদি মো. নজরুল ইসলাম গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান-২ এলাকার বাসায় অবস্থানকালে দেখতে পান, একটি ফেসবুক আইডি থেকে চিফ হুইপকে নিয়ে আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ওই পোস্টগুলোর স্ক্রিনশট পাঠিয়ে অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পর ১৭ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শের-ই-বাংলা নগর এলাকা থেকে এ এম হাসান নাসিমকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তের অগ্রগতি ও আসামির স্বীকারোক্তি

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জড়িত অন্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, আরও আলামত উদ্ধার এবং ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এ ধরনের মামলায় কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বলে জানা গেছে।