ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইট বন্ধের অভিযোগ
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইট বন্ধ

ভারতে ব্যাপক সাড়া জাগানো ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ওয়েবসাইট সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৩ মে) সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এই অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সরকারের এই ‘স্বৈরাচারী আচরণ’ ভারতের যুবসমাজের চোখ খুলে দিচ্ছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

ওয়েবসাইট ডাউনের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনভিত্তিক প্রবাসী ভারতীয় অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেন, সরকার আমাদের আইকনিক ওয়েবসাইট (http://cockroachjantaparty.org) ডাউন করে দিয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে দিপকে লিখেন, সরকার ককরোচদের এত ভয় পায় কেন? তবে এই স্বৈরাচারী আচরণ ভারতের যুবসমাজের চোখ খুলে দিচ্ছে। আমাদের একমাত্র অপরাধ ছিল আমরা নিজেদের জন্য একটি ভালো ভবিষ্যতের দাবি তুলছিলাম। তবে আমাদের এত সহজে তাড়ানো যাবে না। আমরা এখন একটি নতুন ঠিকানার জন্য কাজ করছি। ককরোচদের কখনও মৃত্যু হয় না।

সামাজিক মাধ্যমের ওপর দমন

এর আগে আরেকটি পোস্টে ককরোচ পার্টির ওপর সরকারি দমনপীড়নের বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন দিপকে। তিনি লিখেছিলেন, ইনস্টাগ্রাম পেজ হ্যাক করা হয়েছে। আমার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রামও হ্যাকড। টুইটার অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়া হয়েছে এবং ব্যাকআপ অ্যাকাউন্টটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ সময় ককরোচ জনতা পার্টির নাম ব্যবহার করে খোলা ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর ব্যাপারেও অনুসারীদের সতর্ক করেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিবিসি ওয়ার্ল্ড-এ সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়া হয় উল্লেখ করে দিপকে বলেন, আমাদের কণ্ঠরোধ করে বিজেপি সরকার বিশ্বের কাছে কেবল নিজেদের স্বৈরতন্ত্রকেই প্রকাশ করছে। অন্য একটি পোস্টে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিম-ভিত্তিক আন্দোলনের উত্থান

চলতি সপ্তাহে ভারতে ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত হয় মিম-ভিত্তিক এই রাজনৈতিক আন্দোলন। এমনকি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির অনুসারীর সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যায় তারা।