এপ্রিলে রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪০১ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৩৩%
এপ্রিলে রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪০১ কোটি ডলার

কয়েক মাসের নেতিবাচক ধারার পর দেশের পণ্য রপ্তানি এপ্রিলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মাসটিতে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের (৪০১ কোটি) পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি।

আজ রোববার প্রকাশিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের (জুলাই-এপ্রিল) হিসাবে এখনো রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। এ সময়ে ৩ হাজার ৯৪০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ শতাংশ কম।

ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস থেকেই রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে চাপে ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এপ্রিলের প্রবৃদ্ধিকে আংশিক পুনরুদ্ধার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খাতভিত্তিক রপ্তানি পরিস্থিতি

খাতভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক থেকে জুলাই-এপ্রিল সময়ে আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৭২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৮২ শতাংশ কম। তবে এপ্রিলে এ খাতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। মাসটিতে ৩১৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য খাতে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। প্রথম ১০ মাসে এ খাতে ৯৮ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। শুধু এপ্রিলে এ খাতে রপ্তানি হয়েছে ১১ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

অন্যদিকে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে সামগ্রিকভাবে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে এ খাতে ৮২ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। তবে এপ্রিল মাসে এ খাতে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ডলারের রপ্তানি হয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬৫ শতাংশ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্লেষকদের মতামত

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে ক্রয়াদেশ কম। আবার গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে পণ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সামগ্রিকভাবে পণ্য রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এপ্রিলে যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে তা টেকসই হবে কি না, তা আগামী মাসগুলোর ওপর নির্ভর করবে।