রাজশাহীতে তিন টন ইউরিয়া সার পাচার ঠেকিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই)। রাজশাহীর চারঘাট থেকে অবৈধ মজুতের উদ্দেশ্যে এই সার গোদাগাড়ী উপজেলায় পাচার হচ্ছিল। প্রত্যেক এলাকার চাহিদা অনুযায়ী সার বরাদ্দ হয়। তাই এক এলাকার সার অন্য এলাকায় নেওয়ার সুযোগ নেই।
অভিযানের বিবরণ
এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষি বিভাগ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার বিকালে মহানগরীর চণ্ডিপুর এলাকায় সার নিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি নছিমন আটক করে। তিনটি নছিমনে মোট ৩ টন (৬০ বস্তা) সার ছিল। অবৈধভাবে চারঘাটের বেলঘরিয়া থেকে এই সার গোদাগাড়ীর কদমশহরে মেসার্স রেজাউল অ্যান্ড সন্স নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
জরিমানা ও ব্যবস্থা
এ অপরাধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস উক্ত ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বিপুল বিশ্বাস জানান, এই সার নেওয়ার জন্য রেজাউল করিম কোনো ক্যাশ মেমো কিংবা সরকারি অনুমোদন দেখাতে পারেননি। তাই মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা হক ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ধারা ক এর ৪৫ মোতাবেক ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
তিনি জানান, জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধ করেছেন অভিযুক্ত রেজাউল করিম। তার কাছে পাওয়া সার প্রকৃত ডিলারের মাধ্যমে সাধারণ কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।



