বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ দিলেন পাটমন্ত্রী
বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতিগত সংস্কারের আহ্বান

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নীতিগত সংস্কারের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক ও পচনযোগ্য পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক। পাট দেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে।

লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করার পরামর্শ

মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, এত বছর পরে এসে সবকিছুর জন্য লাইসেন্স জরুরি নয়। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নীতিগত সংস্কার করে কাজ করতে হবে। তিনি নৈতিকতা ও সক্ষমতা নিয়ে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিযোগী মনোভাব ও সুবিধা তুলে ধরার তাগিদ

প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বিশ্বে আমাদের প্রতিযোগী মনোভাব, সক্ষমতা ও সুবিধা তুলে ধরতে হবে। সরকারের নির্দেশনা মেনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সভার শুরুতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি উপস্থাপনা করেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আরিফুর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব সুব্রত শিকদার, অতিরিক্ত সচিব রায়না আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অধীনস্ত দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

পাট শিল্পের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা

মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পাট শিল্পের ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, পাট দেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এবং এটি একটি প্রাকৃতিক পণ্য হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পাচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এই খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা মনে করেন, নীতিগত সংস্কার ও সহজীকরণ প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় পরিবেশ সৃষ্টি করবে।