বিশ্বখ্যাত জুতাপ্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বাটার বৈশ্বিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পানোস মাইটারোস বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে এসে প্রধান উপদেষ্টা তারিক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বাটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারিয়া ইয়াসমিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বাটা বাংলাদেশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী ছিল।
প্রধান উপদেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে তারা অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছেন। তারিক রহমানের বিনয়, দূরদর্শিতা ও দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে তার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন বাটার শীর্ষ কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে বাটার দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি দেন। তিনি বাটার রপ্তানি সম্ভাবনা আরও সম্প্রসারণে উৎসাহ দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে তিনি বাটার বাংলাদেশের সাফল্যের গল্পের অংশীদার হবেন এবং প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ ও সমর্থন করবেন।
বিনিয়োগ ও শিল্প উন্নয়ন
বৈঠকে পানোস মাইটারোস বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জুতাশিল্পে ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা এবং বাটা কীভাবে এই যাত্রায় অর্থপূর্ণ ভূমিকা রাখছে তা নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে চলমান ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং স্থানীয় সক্ষমতা জোরদার ও শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সামাজিক উদ্যোগ
আলোচনায় বাটার ব্যবসায়িক উদ্যোগের বাইরেও সামাজিক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে বাটা চিলড্রেন প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিশুদের জন্য উদ্যোগ এবং দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার বিষয়টি উঠে আসে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাটা বাংলাদেশের ফিন্যান্স ডিরেক্টর ইলিয়াস আহমেদ এবং হিউম্যান রিসোর্সেস ডিরেক্টর মালিক মেহেদি কবির।
ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি
বাটা বাংলাদেশ দেশের জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, তারা বিশ্বমানের আরামদায়ক প্রযুক্তি, অর্থপূর্ণ উদ্ভাবন এবং সহজলভ্য পণ্য এনে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাটা প্রধান উপদেষ্টাকে সময় দেওয়ার এবং মূল্যবান সমর্থন ও উৎসাহের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।



