আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি আয়োজন করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। এ কর্মসূচি থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন না করলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। ফোরামের আহ্বায়ক নূর উন নবী কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে এ ঘোষণা দেন।
সাত দফা দাবি ও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
সাত দফা দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামী বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়। নূর উন নবী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চলমান সংকট নিরসনে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। শেয়ারহোল্ডার ও আমানতকারীদের পক্ষ থেকে গভর্নরের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দাবিগুলো যৌক্তিক হিসেবে স্বীকার করলেও তা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
নূর উন নবী বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালে যেসব শেয়ারহোল্ডারের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ব্যাংক লুটেরাদের বিচার ও অর্থ উদ্ধারের দাবি
এ ছাড়া ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার, এস আলমের সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা সংশোধনের নামে ‘লুটেরাদের পুনর্বাসনের সুযোগ’ বাতিলের দাবি জানানো হয়। সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানায় গ্রাহক ফোরাম।



