নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ৫
নরসিংদীতে সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ৫

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অনিক (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

নিহত ও আহতদের পরিচয়

নিহত অনিক দড়িগাঁ এলাকার ওসমান মেম্বারের ছেলে। তিনি স্থানীয় নাজিম উদ্দিনের অনুসারী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বকুল মিয়ার ছেলে রাজু (২৮) ও জাকির হোসেনের ছেলে মুবারক হোসেন (৩০)।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাইরে ছিলেন আলাল মুন্সি ও জবা মেম্বার। মঙ্গলবার ভোরে তারা স্পিডবোটযোগে নিলক্ষা ইউনিয়নে প্রবেশ করেন। এ সময় ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীদের সহযোগিতায় নাজিম উদ্দিনের অনুসারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর নাজিম উদ্দিনের সমর্থকরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শুরু হওয়া সংঘর্ষ দ্রুত হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ভোর থেকে শুরু হয়ে কয়েক দফায় চলা এ সংঘর্ষ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সংঘর্ষ চলাকালে অনিক মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চিকিৎসা ও পুলিশ ব্যবস্থা

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আসাদুল্লাহ খান বলেন, সকালে তিনজন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অনিক নামে একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।